Monday, November 13, 2017

আসছে নতুন তিনটি আইফোন সবাইকে টেক্কা দিতে

আইফোনের দশকপূর্তিতে আইফোন টেন বাজারে ছেড়ে চমক দিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। অনেকেই হয়তো নতুন আইফোন কেনার কথা ভাবছেন। কিন্তু বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, আইফোন টেন না কিনে আরও কিছুদিন অপেক্ষায় থাকতে পারেন। কারণ, আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে নতুন তিনটি আইফোন আনবে অ্যাপল। এ তিনটি স্মার্টফোনই হবে আইফোন টেনের মতো।
তাইওয়ানভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেজিআই সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক মিং-সি কুয়ো এ তথ্য জানিয়েছেন। অ্যাপল পণ্য সম্পর্কে বিশ্লেষণের জন্য তিনি ইতিমধ্যে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। অ্যাপলের নতুন পণ্য সম্পর্কে তাঁর পূর্বাভাস সত্য হয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট নাইন টু ফাইভ ম্যাক ও ম্যাকরিউমারসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইফোন টেনের মতো এজ-টু-এজ ডিসপ্লে নিয়ে আসবে ২০১৮ সালের মডেলগুলো।
কুয়ো বলেছেন, ২০১৮ সালের দুটি আইফোন মডেলে ওএলইডি ডিসপ্লে থাকবে। একটিতে ৫ দশমিক ৮ ইঞ্চি মাপের আইফোন টেনের ওএলইডি ডিসপ্লের দ্বিতীয় সংস্করণ ব্যবহৃত হবে। একটিতে থাকবে সাড়ে ছয় ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লে। তবে ৬ দশমিক ১ ইঞ্চি মাপের মাঝারি আকারের আইফোনটিতে থাকবে এলসিডি ডিসপ্লে। এ মডেলের দাম তুলনামূলকভাবে কম হবে।
অ্যাপলের নতুন তিনটি আইফোনে ট্রুডেপথ ক্যামেরা, ফেসআইডির মতো ফিচার থাকবে।
অ্যাপলের সাপ্লাই চেইনের সূত্রের বরাতে কুয়ো বলেছেন, আগামী বছরের আইফোনের জন্য ওএলইডি ডিসপ্লে তৈরির কাজ আগেই শুরু হবে। ফলে নতুন আইফোন হাতে পেতে ক্রেতাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে না।
আইফোন টেনের চাহিদা বাড়ছে
অ্যাপল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, চলতি বছরে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ফোন ছিল অ্যাপলের আইফোন টেন। ৩ নভেম্বর থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে এ মডেল। এর আগেই বিক্রি শুরু হয়েছে আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস। অ্যাপলের পক্ষ থেকে নতুন আইফোনের বিক্রিসংক্রান্ত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
তবে কেজিআই সিকিউরিটিজের মিং-সি কুয়ো বলছেন, এ বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে আড়াই কোটি থেকে ২ কোটি ৭০ লাখ আইফোন টেন উৎপাদন করবে অ্যাপল। তবে এ সময় ২ কোটি ২০ লাখ থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ আইফোন টেন বিক্রি হবে। ২০১৮ সালের প্রথম প্রান্তিকে আইফোন টেনের চাহিদা থাকবে বেশি। এ সময় আইফোন টেনের উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ বাড়াবে অ্যাপল। আইফোন টেনের চাহিদা থাকলেও আইফোন ৮-এর চাহিদা কমছে। আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে আইফোন ৮-এর উৎপাদন ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কমিয়ে দেবে অ্যাপল। 
তথ্যসূত্র: দ্য ভার্জ।

Wednesday, November 1, 2017

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের বিভিন্ন পদের পরীক্ষার সময়সূচী এবং পরীক্ষার স্থান

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের বিভিন্ন পদের পরীক্ষার সময়সূচী এবং পরীক্ষার স্থান :

পদের নামঃ কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস সহকারী কম্পিউটার অপারেটর কাম হিসাব সহকারী
পরীক্ষার তারিখঃ ১০/১১/২০১৭
সময়ঃ বিকাল .০০টা থেকে .০০টা

পদের নামঃ উপজেলা সমন্বয়কারী
পরীক্ষার তারিখঃ ১৭-১১-২০১৭
সময়ঃ সকাল ১০.০০টা থেকে ১১.০০টা

পদের নামঃ নৈশ প্রহরী
পরীক্ষার তারিখঃ ০১-১২-২০১৭
সময়ঃ সকাল ১০.০০টা থেকে ১১.০০টা

পদের নামঃ জেলা সমন্বয়কারী
পরীক্ষার তারিখঃ ২২-১১-২০১৭
সময়ঃ সকাল ১০.০০টা থেকে ১১.০০টা

পদের নামঃ ফিল্ড সুপারভাইজার মাঠ সহকারী
পরীক্ষার তারিখঃ ২৯-১২-২০১৭
সময়ঃ সকাল ১০.০০টা থেকে ১১.০০টা
প্রবেশ পত্র সহ বিস্তারিত দেখুন - একটি বাড়ি একটি খামাড়

Wednesday, October 25, 2017

অ্যাপল ও স্যামসাং যুদ্ধ! জমিমানা গুণতে হবে কাকে?

অ্যাপল ও স্যামসাং—প্রতিষ্ঠান দুটিকে আবারও আদালতে লড়তে দেখা যাবে। নকশাজনিত পেটেন্ট লঙ্ঘনের জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার এক জেলা আদালতে মুখোমুখি হবে এই দুই প্রতিষ্ঠান। বিচারক লুসি কহ স্বাক্ষরিত এক শুনানিতে গত রোববার বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান দুটিকে আদালতকক্ষে উপস্থিত হয়ে নির্ধারণ করতে হবে, তিনটি পেটেন্ট লঙ্ঘনের জন্য স্যামসাং ঠিক কী পরিমাণ অর্থ অ্যাপলকে দেবে।
এ সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, প্রায় এক বছর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া এক আদেশের আদলে। যেখানে বলা হয়েছে, কী পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হয়েছে তা আগে যেভাবে ঠিক করা হয়েছিল, তা থেকে ভিন্নভাবেও করা যায়। নকশাজনিত পেটেন্ট লঙ্ঘনে যে ক্ষতি হয়েছে তা সম্পর্কে বিচারক বলেন, যন্ত্রের কোন অংশের পেটেন্ট লঙ্ঘন করা হয়েছে, তার ওপর ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা যেতে পারে। সম্পূর্ণ পণ্যের ওপর ভিত্তি করে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা নেই।
প্রতিষ্ঠান দুটি ২০১২ সাল থেকে পেটেন্ট বিষয়ে লড়াই করে আসছে। গত বছর স্যামসাং অ্যাপলকে ৩৯ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে ওই সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি, ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে। আর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাংশের এক কোর্টে মামলাটি স্থানান্তর করা হয়।
কহ বলেন, ২৫ অক্টোবর উভয় প্রতিষ্ঠানকে সাক্ষাৎ করার জন্য বলা হয়েছে। যেখানে তাদের এ বিষয়ে কী পরিকল্পনা রয়েছে, তা দাখিল করতে বলা হয়েছে এবং শুনানির দিন নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।
সূত্র: সিনেট

স্যামসাং, অ্যাপল, নকিয়া, জেডটিই, লেনোভোর পাশাপাশি হুয়াওয়ে আনছে ভাজ করা স্মার্টফোন

আগামী বছর সম্ভবত ভাঁজ করা স্মার্টফোনের বছর হতে যাচ্ছে। স্যামসাং, অ্যাপল, নকিয়া, জেডটিই, লেনোভোর মতো প্রতিষ্ঠান ভাঁজ করা স্মার্টফোন তৈরিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। এবারে চীনের অন্যতম প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা হুয়াওয়ে ভাঁজ করা যায়—এমন স্মার্টফোন তৈরিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। সম্প্রতি প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপের সিইও রিচার্ড ইয়ু ভাঁজ করা স্মার্টফোন তৈরির কথা জানিয়েছেন।
ইয়ু বলেছেন, হুয়াওয়ে ভাঁজ করা স্মার্টফোনের নমুনা তৈরিতে কাজ শুরু করেছে। আগামী বছর নাগাদ এ ফোন বাজারে দেখা যেতে পারে। হুয়াওয়ে ছাড়া কেবল স্যামসাং ভাঁজ করা স্মার্টফোনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
রিচার্ড ইয়ু বলেছেন, প্রোটোটাইপ তৈরি করলেও এখনই ভাঁজ করা স্মার্টফোন বাজারে ছাড়া হচ্ছে না। একটি স্মার্টফোন দুটি স্ক্রিন থাকবে—এমন স্মার্টফোন তৈরি করা হচ্ছে। তবে স্মার্টফোনের দুটি স্ক্রিনের মধ্যে সামান্য ফাঁক থেকে যাচ্ছে। ওই ফাঁক বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী বছরের মধ্যেই এ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। গত মাসে স্যামসাং কর্তৃপক্ষ আগামী বছরে তাদের ভাঁজ করা গ্যালাক্সি স্মার্টফোন আনার পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করে। ওই ফোনে সহজে বাঁকানো যায়—এমন ডিসপ্লে ব্যবহার করা হবে। স্যামসাং কর্তৃপক্ষও তাদের ওই স্মার্টফোন তৈরিতে কারিগরি সমস্যার কথা জানায়।
চলতি বছরে সবচেয়ে আলোচিত ট্রেন্ড বেজেল বিহীন স্মার্টফোন। হুয়াওয়ে মনে করছে, স্মার্টফোনে নকশার ক্ষেত্রে পরবর্তী বড় পরিবর্তন হবে ভাঁজ করা স্মার্টফোনের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে জেডটিই এক্সন এম মডেলের ভাঁজ করা ফোন উন্মুক্ত করেছে। 
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

ভারতীয় অধিনায়ক কোহলির অজানা ১১ তথ্য

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। নিজের ২০০তম ম্যাচকে স্মরণীয় করে রেখে ক্যারিয়ারের ৩১তম সেঞ্চুরিটি তুলে নিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন ‘মাস্টার ব্লাস্টার’। সে ম্যাচে যদিও ভারত হেরে গেছে, কিন্তু অর্জনে অনেককেই ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। ক্রিকেটীয় রেকর্ড যেন তাঁর হাতের খেলনা। গড়ছেন-ভাঙছেন প্রায় প্রতিদিনই। এসব তথ্য আমরা জানি
। কিন্তু ভারতীয় অধিনায়ক সম্পর্কে যে তথ্যগুলো আমাদের অজানা, সেদিকে একবার দৃষ্টি ফেরালে কেমন হয়...
১. কোহলির ডাকনাম ‘চিক্কু’। দলের খেলোয়াড়েরাও তাঁকে ‘চিক্কু’ বলেই ডাকেন।
২. বলিউড তারকা আনুশকা শর্মার সঙ্গে তাঁর প্রেম এখন সর্বজনবিদিত। তবে তিনি প্রথম দেখাতেই আরেক বলিউড সুন্দরী কারিশমা কাপুরের প্রেমে পড়েছিলেন। সেটি তাঁর প্রথম ‘ক্রাশ’।
৩. ট্যাটু করতে পছন্দ করেন কোহলি। শরীরে মোট ৪টি ট্যাটু করেছেন তিনি। এর মধ্যে সামুরাই যোদ্ধার ট্যাটুটি তাঁর সবচেয়ে প্রিয়।
৪. বিনিয়োগযোগ্য অ্যাথলেট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন কোহলি। স্পোর্টসপ্রো নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জরিপে বিশ্বের ১৩তম বিনিয়োগযোগ্য অ্যাথলেটের একজন হয়েছেন বিরাট কোহলি।
৫. বিশ্বের শীর্ষ ১০ সুবেশী আন্তর্জাতিক ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিরাট কোহলি।
৬. তাঁর বাঁ হাতের ড্রাগন ট্যাটুটি সৌভাগ্যের প্রতীক।
৭. ২০০৬ সালে বাবার মৃত্যুদিনেও রঞ্জি ট্রফিতে দিল্লির হয়ে কর্ণাটকের বিপক্ষে খেলেছিলেন কোহলি। সে ম্যাচে ৯০ রান করেছিলেন তিনি।
৮. তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা ওয়ানডে ইনিংসটি পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৮৩ রানের। এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে যেকোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ ইনিংসও বটে।
৯. ২০১২ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সেই আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছিলেন কোহলি।
১০. ২২ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ক্যারিয়ারে ২টি সেঞ্চুরি করেছেন কোহলি। ভারতীয়দের মধ্যে এই রেকর্ড আছে শুধু শচীন টেন্ডুলকার ও সুরেশ রায়নার।
১১. ওয়ানডে বিশ্বকাপের অভিষেকেই সেঞ্চুরি করা একমাত্র ভারতীয় ব্যাটসম্যান কোহলি। ২০১১ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরির মাধ্যমে তিনি এই রেকর্ড করেন। সূত্র: স্পোর্টসউইকি, ওয়ার্ল্ডব্লেজ।
সূত্র: প্রথম আলো

Sunday, October 22, 2017

আগামী তিনদিন ইন্টারনেটের গতি থাকবে কম


দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৪) মেরামতকাজের জন্য রোববার মধ্যরাত থেকে তিন দিনের জন্য বন্ধ থাকবে। ব্যান্ডউইটথের ঘাটতির কারণে ইন্টারনেটের গতি এ সময়ে কম হতে পারে। সাবমেরিন কেবলের মালিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বিএসসিসিএলের কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি চালু হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) ও ভারত থেকে আমদানি করা ব্যান্ডউইটথ দিয়ে ইন্টারনেট ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করা হবে। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইটথের দৈনিক চাহিদা ৪৫০ জিবিপিএস (গিগাবাইট প্রতি সেকেন্ড)। এর মধ্যে প্রথম সাবমেরিন কেবল থেকে ২৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইটথ পাওয়া যায়। বাকি ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইটথ ভারত থেকে আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল কেবল) কোম্পানির মাধ্যমে আমদানি করা হয়।
বিএসসিসিএল এখন পর্যন্ত দুবার প্রথম সাবমেরিন কেবলের মেরামতকাজের তারিখ পিছিয়েছে। এর আগে প্রথম ২২ সেপ্টেম্বর থেকে মেরামত শুরু করার কথা থাকলেও পরে আরেক দফা সময় বদল করা হয়। এই কেবলের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে অবস্থিত। ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে একটি রিপিটার প্রতিস্থাপনের জন্য এ মেরামতকাজ চলবে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন কেবলের (সাউথ ইস্ট এশিয়া-মিডিল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৪) সঙ্গে সংযুক্ত হয়। ২০০৫ সালে চালুর পর প্রথমবারের মতো এ সাবমেরিন কেবল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে এর মেরামত করা হবে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল।
জানতে চাইলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি এম এ হাকিম প্রথম আলোকে বলেন, মেরামতকাজের জন্য প্রথম সাবমেরিন কেবল বন্ধ থাকার বিষয়টি বিএসিসিএল থেকে জানানো হয়েছে। এতে দেশের ইন্টারনেটের গতির ওপর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, তবে তা সাময়িক সময়ের জন্য

Sunday, October 15, 2017

শুধু কি “ব্লু হোয়েল” আরও কিছু ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ গেম আছে যা থেকেও সবাইকে সর্তক থাকা উচিত

ব্লু হোয়েল’ নামের অনলাইন গেম এর মধ্যেই বেশ আলোড়ন তুলেছে। বিশ্বজুড়ে তরুণ-তরুণীর প্রাণ কেড়ে নেওয়া ঘাতক এই গেম ছড়িয়ে পড়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। বাংলাদেশেরও কেউ কেউ এ ধরনের গেম খেলতে শুরু করেছে বলে আভাস মিলছে সামাজিক মাধ্যমে। শুধু তা-ই নয়, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গেম বা গেমের আদলে চ্যালেঞ্জের নামে অনলাইনভিত্তিক বেশ কিছু খেলা খেলছে বাংলাদেশের কিছু কিশোর-তরুণ। এ ব্যাপারে সতর্কতা
ও সচেতনতা তৈরি করা এখনই দরকার।
এই খেলাগুলো কতটা ভয়াবহ, তা এর ধরন দেখলেই বোঝা যায়। কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে এ ধরনের খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না। রোমাঞ্চের নেশায় তরুণদের কেউ কেউ ‘দেখি না কী হয়’ কৌতূহল থেকে এ ধরনের খেলা শুরু করে। মূলত এখানে একজনকে দুঃসাহসী কিছু করার চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়, যার অনেকগুলোই সহিংস, আক্রমণাত্মক। মানসিকতার দিক দিয়ে অসুস্থ। তাই সেটি শুধু নেহাত খেলার মধ্যে থাকে না।
এ ধরনের খেলা বা চ্যালেঞ্জের ব্যাপারে আগেই ধারণা পাওয়া গেলেও আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে ভেবে তা নিয়ে সেভাবে লেখা হয়নি। কিন্তু মূলধারার সংবাদমাধ্যমই তো এখন তথ্য পাওয়ার একমাত্র উৎস নয়। ফেসবুকের বিভিন্ন ক্লোজড গ্রুপ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, সামাজিক মাধ্যম যেহেতু তরুণদের খুব প্রিয়, তারই সূত্র ধরে এরই মধ্যে এ ধরনের কিছু কিছু চ্যালেঞ্জের খেলা শুরু হয়ে গেছে।
ভারতে এই খেলাগুলো নিয়ে অভিভাবক মহলে দুশ্চিন্তা বাড়ছে বলে জানা গেছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে। বাংলাদেশে এখনো অনেকটা সীমিত আকারেই আছে এসব ভয়ানক খেলা। কিন্তু এখনই সবার সতর্কতা জরুরি। একটা বারুদের কাঠি থেকেও বিশাল অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে।
এই চ্যালেঞ্জগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু লেখা হলো না অনিবার্য কারণেই। শুধু সতর্কতার জন্য গেমগুলো সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিয়ে রাখা হলো। আপনার কাছের কেউ এই চ্যালেঞ্জগুলোয় জড়িয়ে পড়ছে কি না, খোঁজ নিয়ে তাকে বিরত রাখুন।

দ্য চোকিং গেম/চ্যালেঞ্জ:
বন্ধুর গলা চেপে তাকে বেহুঁশ করতে হবে। এমন বিদঘুটে চ্যালেঞ্জ সামাজিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কিছুদিন ধরে। উদ্দেশ্য জ্ঞান ফেরার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়া। স্পেস মাঙ্কি, ব্ল্যাকআউট, নকআউট ইত্যাদি নামেও এই গেমের চল রয়েছে।
ডাক্ট টেপ চ্যালেঞ্জ
ডাক্ট টেপ পেঁচিয়ে ব্যবহারকারীকে একটি চেয়ারে আটকে রাখা হয়। ১৮০ সেকেন্ডের মধ্যে পালাতে হবে এর থেকে। পালানোর পুরো ঘটনা ভিডিও করে আপলোড করা হয় বিভিন্ন পোর্টালে। বেমক্কা চেয়ার উল্টে অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছে।

ঘোস্ট পেপার চ্যালেঞ্জ:
মরিচের সবচেয়ে ঝাল একটি প্রজাতির নাম ‘ভূত জোলোকিয়া’, বাংলায় বলতে পারেন ভুতুড়ে মরিচ। এই মরিচ মুখে রেখে নিজেদের প্রতিক্রিয়া রেকর্ড করে কিশোর-কিশোরীরা। এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে মুখে জ্বালাপোড়াসহ শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকেই হাসপাতালে গিয়েছে।

ডাক্ট টেপ চ্যালেঞ্জ:
ডাক্ট টেপ পেঁচিয়ে ব্যবহারকারীকে একটি চেয়ারে আটকে রাখা হয়। ১৮০ সেকেন্ডের মধ্যে পালাতে হবে এর থেকে। পালানোর পুরো ঘটনা ভিডিও করে আপলোড করা হয় বিভিন্ন পোর্টালে। বেমক্কা চেয়ার উল্টে অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছে।

ঘোস্ট পেপার চ্যালেঞ্জ:
মরিচের সবচেয়ে ঝাল একটি প্রজাতির নাম ‘ভূত জোলোকিয়া’, বাংলায় বলতে পারেন ভুতুড়ে মরিচ। এই মরিচ মুখে রেখে নিজেদের প্রতিক্রিয়া রেকর্ড করে কিশোর-কিশোরীরা। এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে মুখে জ্বালাপোড়াসহ শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকেই হাসপাতালে গিয়েছে।

দারুচিনি চ্যালেঞ্জ:
দারুচিনি গুঁড়ো পানি ছাড়া মুখে পুরে রাখা হয়। মুখের ইনফেকশন ঘটার আশঙ্কা থাকে।
এ ধরনের সব চ্যালেঞ্জই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। পাশাপাশি অনলাইনে যাতে এসব গেম না পাওয়া যায়, তারও ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আসছে নকয়িার ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন নকিয়া ৯

নকিয়া ৯ নামের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন তৈরি করছে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবাল। নকিয়ার কর্মকর্তারা এটিকে এখনো গুঞ্জন বললেও অনলাইনে নতুন স্মার্টফোনটি নিয়ে নানা তথ্য ফাঁস হচ্ছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, অনলাইনে ফাঁস হওয়া বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, নকিয়ার নতুন এই স্মার্টফোন হবে বিশেষ নকশার। এতে বাঁকানো ডিসপ্লে ও পেছনে ডুয়াল ক্যামেরা সুবিধা থাকবে।
নকিয়া ৯ স্মার্টফোন সম্প্রতি বাজারে আসা মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের আইফোন ৮ সিরিজের মতো হতে পারে। এর পেছনে গ্লাস বা কাচ ব্যবহৃত হবে। প্রিমিয়াম ফোন হিসেবে ৩ দশমিক ৫ মিলিমিটার অডিও জ্যাক বাদ দিচ্ছে এইচএমডি গ্লোবাল। সম্প্রতি গুগলের ঘোষণা দেওয়া পিক্সেল স্মার্টফোনেও অডিও জ্যাক বাদ দেওয়া হয়েছে। ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, নকিয়া ৯ স্মার্টফোনটির পেছনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার থাকবে।
নকিয়া ৯ স্মার্টফোনটি ৬ জিবি ও ৮ জিবি র‍্যামের দুটি সংস্করণে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া আইপি ৬৮ সনদ থাকায় ফোনটি ধুলা ও পানিরোধী। এতে ১২৮ জিবি বিল্টইন স্টোরেজ থাকবে। নকিয়া ৯ স্মার্টফোনটিতে আইরিশ স্ক্যানার থাকতে পারে বলেও তথ্য ফাঁস হয়েছে।
অ্যাপল ও স্যামসাংয়ে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে নকিয়া ৯ স্মার্টফোনটি বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে এইচএমডির। এর দাম হতে পারে ৭৫০ ইউরো। সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের কিউএইচডি ডিসপ্লের ফোনটিতে স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপসেট থাকতে পারে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

সাবধান ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের ছদ্মাবরণে ছড়াচ্ছে ম্যালওয়্যার!

ভুয়া ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ডাউনলোড করলেই অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোনে প্রবেশ করছে ‘ডাবল লকার’। বেশ কয়টি সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি ক্ষতিকর ম্যালওয়্যারটি সব তথ্য এনক্রিপ্ট করার পাশাপাশি ডিভাইসের পিন কোডও পরিবর্তন করতে পারে।
ফলে চাইলেই ডিভাইসের কোনো তথ্য ব্যবহার করা যায় না। আর তাই তথ্যগুলো ফের ব্যবহারের জন্য অর্থও দাবি করছে সাইবার অপরাধীরা। দাবি করা অর্থ পরিশোধ করলেই শুধু ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ মিলে থাকে। ম্যালওয়্যারটির সন্ধান পেয়েছে অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা ইসেটের একদল নিরাপত্তা গবেষক। তাদের মতে, অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে আঘাত হানা বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের মধ্যে একমাত্র ‘ডাবল লকার’ ম্যালওয়্যার একই সঙ্গে তথ্য এনক্রিপ্ট করার পাশাপাশি ডিভাইস লক করতে পারে। ফলে দূর থেকেই ব্যবহারকারীদের ডিভাইস চালু বা বন্ধ করতে পারে সাইবার অপরাধীরা।
সূত্র : কালের কণ্ঠ

Saturday, October 14, 2017

চোখ হারালেন গেম খেলতে খেলতে

রাত পোহালেই পরীক্ষা। কিংবা সকাল-সকাল ধরতে হবে অফিস। ওদিকে স্মার্টফোনে পড়ে আছে আনকোরা নতুন কোনো ‘গেম’। পরীক্ষা কিংবা অফিসের চিন্তা শিকেয় তুলে মন চাইছে ‘গেম’টা একটু পরখ করে দেখতে; একটু খেললে কী-ই বা এমন ক্ষতি! সেই ‘একটু খেলা’—যখন শেষ হলো, তখন পুবাকাশে আলো ফোটার অপেক্ষা। হায় রে! আজও অফিসে দেরি কিংবা পরীক্ষার কী হবে!
ইন্টারনেট ও মোবাইলে সহজলভ্য হওয়ার সবচেয়ে খারাপ দিকটা বোঝা যাচ্ছে এখন। অনেককেই পেয়ে বসে গেম খেলার নেশা। যেকোনো নেশাই যে খারাপ, সেটা বোঝা গেল। চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শানজি প্রদেশের উ জিয়াওজিন (গোপনীয়তার স্বার্থে সংবাদমাধ্যম আসল নাম প্রকাশ করেনি) নামের এক তরুণী স্মার্টফোনে ‘গেম’ খেলার মাশুল গুনছেন। ২১ বছর বয়সী উ স্মার্টফোনে টানা ২৪ ঘণ্টা ‘অনার অব কিংস’ গেম খেলে এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন!
চীনের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অ্যাকাউনট্যান্ট হওয়ার ট্রেনিং করছেন উ জিয়াওজিন। ১ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটির দিনে স্মার্টফোনে গেম খেলা ছাড়া তিনি আর কোনো কিছুই করেননি। শুধু গেম খেলেছেন। সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করেই ডান চোখে দেখতে পাচ্ছিলেন না। হাসপাতালে নেওয়ার পর পরীক্ষা-নি

রীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানান, জিয়াওজিনের ডান চোখে রেটিনার ধমনিতে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে তিনি দেখতে পাচ্ছেন না; মানে অন্ধত্বের শিকার হয়েছেন জিয়াওজিন।
চিকিৎসকদের মতে, চোখের এ সমস্যায় সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিরা বেশি ভুগে থাকেন। তুলনামূলক কম বয়সীদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা বিরল। কিন্তু জিয়াওজিন টানা গেম খেলায় দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকতে হয়েছে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে। এতে তাঁর চোখে রেটিনার ধমনি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সমস্যায় আক্রান্ত হলে শতকরা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগীরা চিকিৎসার মাধ্যমে চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পান। তবে জিয়াওজিনের স্বাভাবিক দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে চিকিৎসকেরা ঠিক নিশ্চিত নন।
জিয়াওজিন জানান, স্মার্টফোনে গেম খেলার প্রতি আকৃষ্ট হন চলতি বছরের শুরুতে। এরপর থেকে তাঁর প্রাত্যহিক রুটিন ছিল, প্রতিদিন সকাল ছয়টার দিকে ঘুম থেকে উঠে গেম খেলা এবং সেটা চলত দুপুরে খাবারের আগ পর্যন্ত! এরপর আবারও গেম খেলা শুরু করতেন এবং সেটা চলত প্রায় রাত দুইটা পর্যন্ত। জিয়াওজিনের ভাষ্য, ‘ভোরে ওঠার পর খাওয়াদাওয়া বাদে প্রতিদিন রাত দুইটা পর্যন্ত গেম খেলেছি। এতটাই আসক্ত ছিলাম যে খেতে ভুলে যেতাম। মা-বাবা মানা করেছে, বলত অন্ধ হয়ে যেতে পারি। কিন্তু আমি নিজেই নিজেকে বোঝাতাম, এটাই শেষ রাউন্ড। শেষ পর্যন্ত ছাড়তে পারিনি।’ জিয়াওজিনকে চিকিৎসকেরা এখনো হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তাঁর চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
চীনের টেক-জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান ‘টেনসেন্ট’-এর বানানো গেম ‘অনার অব কিংস’। এটা দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় স্মার্টফোন গেমগুলোর একটি, খেলে থাকে ২০ কোটির বেশি মানুষ। আর তাই চীনের জাতীয় দৈনিকগুলো এর আগে গেমটিকে অভিযুক্ত করেছিল ‘বিষ’ হিসেবে। তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট, গ্যাজেটস নাউ

Thursday, October 12, 2017

ওয়াই-ফাই ব্যবহারে করনীয়


সেলুন থেকে ব্যায়ামাগার কিংবা রেস্তোরাঁ থেকে রেলস্টেশনআজকাল এমন প্রায় সব জায়গাতেই ওয়াই-ফাই সুবিধা উন্মুক্ত রাখা হয় সাধা                 
রণ মানুষের সুবিধার জন্য অনেকে তো গ্রাহক আকর্ষণের জন্য দোকানে বড় বড় হরফে লিখে রাখেন, ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই তবে বিনা মূল্যে সরবরাহকৃত এই ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট কখনো সাইবার অপরাধের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে চুরি হয়ে যেতে পারে ফোন বা কম্পিউটারের গোপন তথ্য তাই উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা
যন্ত্র হালনাগাদ রাখুন:
স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম শুধু নতুন সুবিধা দিতেই হালনাগাদ হয় এমনটি কিন্তু নয়। আপনার ফোনটিকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতেও উন্নত সংস্করণ হালনাগাদ করা হয়। তাই প্রায়ই যাঁরা উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহার করেন তাঁদের ডিভাইসগুলো সব সময় আপ-টু-ডেট রাখুন
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন:
উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহারে তথ্য চুরি হওয়ার পাশাপাশি স্মার্টফোনে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা থাকে। তবে সেদিক থেকে আইফোন ব্যবহারকারীরা কিছুটা নিরাপদ হলেও অ্যানন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা            মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাই আপনার ফোনে অ্যান্টিভাইরাস টুল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন অ্যাপ। তবে সেগুলো অবশ্যই ভালো মানের ডেভলপারের তৈরি হতে হবে
ধীরগতির ওয়াই-ফাই থেকে সাবধান:
জনাকীর্ণ স্থানে উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ধীরগতির হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে কম ব্যবহারকারী থাকা সত্ত্বেও যদি সংযোগটি খুবই ধীরগতির হয় তবে সাবধান! ওয়াই-ফাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাই শ্রেয়। কেননা, আপনার তথ্য সাইবার অপরাধীর কাছে পাচার হচ্ছে, ধীরগতির ওয়াই-ফাই সংযোগ তার একটা লক্ষণ
কেনাকাটা থেকে বিরত থাকুন:
উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই সংযোগে আপনার ডিভাইস দিয়ে যে কাজটি মোটেও করা উচিত নয়, তা হলো অনলাইনে কেনাকাটা বা ব্যাংকিং করা। অর্থাৎ আপনার অনলাইনে আর্থিক লেনদেন তথ্যবহুল কাজ কখনোই উন্মুক্ত ওয়াই-ফাইয়ে করা উচিত হবে না। সাইবার অপরাধ বিশ্লেষকেরা বলছেন, বেশির ভাগ অনলাইন ব্যাংকিং জালিয়াতি সংগঠিত হয় উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে অনিরাপদ আর্থিক লেনদেনের জন্য
টু ফ্যাক্টর নিরাপত্তা ব্যবহার করুন:
আজকাল বেশির ভাগ ওয়েবসাইট বা -মেইলে লগ ইন করতে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন পদ্ধতির প্রচলন রয়েছে। এই সুবিধার মাধ্যমে আপনার -মেইল বা পাসওয়ার্ড চুরি হয়ে গেলেও মোবাইলে নির্দিষ্ট কোড ছাড়া লগ ইন করা যাবে না। উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই হরহামেশাই যাঁরা ব্যবহার করেন, তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট বা -মেইলে পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত
প্রয়োজন শেষে দ্রুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন:
জরুরি প্রয়োজনে উন্মুক্ত ওয়াইফাই ব্যবহার করার প্রয়োজন হতেই পারে। তবে আপনার উচিত কাজ শেষে সঙ্গে সঙ্গেই সেই সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া
ভিপিএন ব্যবহার করুন:
নিরাপদে উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন ব্যবহার করা ভিপিএন ব্যবহারকারীর তথ্য যতটা সম্ভব নিরাপত্তার সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে আদান-প্রদান করে তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় ভিপিএন চালু রাখুন
নিরাপদে উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন ব্যবহার করা। ভিপিএন ব্যবহারকারীর তথ্য যতটা সম্ভব নিরাপত্তার সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে আদান-প্রদান করে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় ভিপিএন চালু রাখুন

, সূত্র: প্রথম আলো