সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় মৌসুম শুরু হতে না হতেই কুল লোভনীয় করে বাজারজাত করতে বাগানেই ইথিলিন অ্যাসিড ব্যবহার এবং তা সংগ্রহ করে শ্যাম্পু দিয়ে চকচকে করা হচ্ছে। ফলে কুলের গুণগত মান তো থাকছেই না বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে পড়ছে। কৃষির অন্যতম অর্থনৈতিক জোন হিসেবে সাতক্ষীরার খ্যাতি ধরে রাখতে প্রশাসনিক তদারকির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, তালায় বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে আম ও কুলের চাষ। অনেক ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে মৎস্যঘেরের বেড়িতে এ দুই ফলের চাষ হচ্ছে। অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অভ্যন্তরীণ রুটের ব্যবসায়ীরা ফল পাড়ার সাথে সাথে আবারো গাছ ক্রয় করে থাকেন। এরপর গাছ থেকে মাত্রাতিরিক্ত ফলন পেতে রাসায়নিক দ্রব্যের সাথে বিভিন্ন পদের হরমোন ব্যবহার করে। যা মানবদেহের ক্যান্সার থেকে শুরু করে লিভার, কিডনি, চর্ম এমনকি মানসিকবিকাশ বাধাগ্রস্ত করে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কুল পাকার মোক্ষম সময় শুরু না হলেও কুল পাড়তে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা অপরিপক্ব কুলে ইথিলিন এসিডের সংক্রমণ ঘটিয়ে একসাথেই বাগানের কুল পাকিয়ে বাজারজাত করছেন। প্রাকৃতিকভাবে কুল পাকার সঠিক সময় গাছের দু’-একটি কুল পাকলে তা থেকে ইথিলিন অ্যাসিড পুরো গাছে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কুল পাকতে একটু সময় লাগে। তাই ব্যবসায়ীরা একবারেই কুল বাজারজাত করতে ইথিলিন এসিড ব্যবহার করছেন। গাছ থেকে কুল সংগ্রহ করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে প্যাকেট করা হচ্ছে। খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালা উপজেলার ভৈরবনগর নামক স্থানে এমনটি দেখা মেলে। যেখানে আড়তেই ব্যবসায়ীরা প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে কুল ক্রয় করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য না রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে তা প্যাকেট করছে।
এ সময় তাদের কাছে শ্যাম্পু দিয়ে কেন ধোয়া হচ্ছে তা জানতে চাইলে তারা জানান, সবাই ধুচ্ছে তাই আমরাও ধুচ্ছি। এটা অপরাধ জানালেও তারা বলেন, আমাদের প্রশাসনের সবাইকে ম্যানেজ করা, কিছুই হবে না।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরীন বলেন, বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্য সংগ্রহ: দৈনিক ইত্তেফাক।
Monday, January 28, 2019
Tuesday, January 22, 2019
৯ বছরেই যুক্তরাষ্ট্রের কলেজে ভর্তি সিলেটের কায়রান!
যুক্তরাষ্ট্রের কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির গড় বয়স ১৭-১৯, খুব মেধাবী হলেও ১৪-১৫ বছরের নিচে। সেই রেকর্ড ভাঙল সিলেটের ৯ বছরের শিশু কায়রান। তাও যেনতেন কোনো বিষয় নয়, রীতিমতো গণিত ও রসায়ন নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার লাস পজিটাস কলেজে পড়ছে সে।
জানা যায়, কায়রানের মা কাজী জুলিয়া চৌধুরী কাজী ও বাবা মোস্তাহিদ কাজী। তাদের পূর্বপুরুষ সিলেটের বাসিন্দা।
কায়রানের এমন অভাবিত প্রতিভাকে প্রথম সবার সামনে তুলে ধরে হাফিংটন পোস্ট। এই পোস্টে খবর প্রকাশের পর কায়রানকে ঘিরে আমেরিকায় আলোচনা শুরু হয়। তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় জনপ্রিয় টিভি শো গুড মর্নিং আমেরিকাতে। পরে ডেইলি মেইল, আইরিশ টাইমস ও পশ্চিমা গণমাধ্যমও কায়রানকে নিয়ে কয়েকটি সংবাদ ছাপে।
হাফিংটন পোস্টে নিজের সম্পর্কে কায়রান লিখেছে, তৃতীয় গ্রেডে থাকা অবস্থায় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায়, আমার আইকিউ ৯৯.৯ শতাংশ। আমার ইকিউ বা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সও অনেক বেশি। অভিভাবকরাও আমার যত্ন নিতেন। ধরে নেওয়া হয়, আমার কাছে প্রকৃতি প্রদত্ত কিছু রয়েছে। আমি ভর্তি হলাম মিনেসা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। অধিক বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুদের সাহায্য করার ব্যাপারে আমার মা-বাবাও শিখছিলেন। আমি ডেভিডসন ইনস্টিটিউটের ইয়ং স্কলার নির্বাচিত হই। আমাকে ভর্তি করা হয় বিশেষায়িত স্কুলে। এখন আমি চতুর্থ গ্রেড ও কলেজ- দুইটিতেই পড়ছি।
প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা বিষয়ে কায়রানের বক্তব্য, কলেজে শিক্ষাজীবন শুরুর আগে আমার যেসব বিষয় ভালো লাগত, আমি সেসব বিষয়ে আগ্রহ দেখাতাম ও চেষ্টা করতাম। কলেজের প্রথম কোর্স হিসেবে তারা আমাকে অ্যালজেবরা-১ কোর্সটি নিতে বলে, যেন আমি কলেজের পড়ালেখায় অভ্যস্ত হই। কিন্তু আমি বিরক্ত হতাম ও ক্লাসে ভিডিও গেমস খেলতাম। তবে আমিই মা-বাবাকে পীড়াপীড়ি করি, যেন আমাকে আরও কঠিন কোর্স দেওয়া হয়। যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষায় দেখা গেল, আমি ক্যালকুলাস নিতে সক্ষম, যা আমার বর্তমান ধাপেরও চার ধাপ পরের কোর্স। তখন তারা বিশ্বাস করতে শুরু করল, আমি আসলে জানি আমার কী করা প্রয়োজন।
সে আরো বলে, কলেজে শিক্ষকরা আমাকে আর দশটা শিক্ষার্থীর মতোই দেখেন। আমি অন্যদের মতো একই নিয়ম মেনে চলি। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ক্ষেত্রেও আমার জন্য বিশেষ কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না। এটাও বাকি সবার মতো করেই করা হয়।
কায়রান জানায়, খুব মিশুক হওয়ায় কলেজে তার অনেক বন্ধু। এমনকি তারা কায়রানের কাছে শিখতে চায়। যদিও ক্যাম্পাসে প্রথম প্রথম অন্যরা তার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাত ও আড়ালে ছবি তুলত।
কায়রানের ভাষ্য, ‘তারা আমাকে কিউট ও স্মার্ট বলে। আমি তাদের সঙ্গে পরিচিত হই ও বন্ধু হতে চাই।'
বি:দ্র: সংগৃহীত ছবি।
Wednesday, November 28, 2018
গাছের ব্যথা সারাচ্ছেন গাছের বন্ধু ওয়াহিদ সরদার
যশোর ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে গাছ থেকে একে একে সাইনবোর্ড পেরেক সরাচ্ছেন এক লোক। মাথায় কৃষকদের যে মাথাল তাতে বাংলাদেশের পতকার আদলে লাল-সবুজ রঙে রাঙানো। পায়ে পুরোনো এক জোড়া কেডস। নাম ওয়াহিদ সরদার।
২০১৮ সালের জুলাই মাস থেকে গাছের পেরেক অপসারণ শুরু করেন যশোরের ওয়াহিদ সরদার। যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা তিনটি জেলার বিভিন্ন রাস্তার ধারে থাকা গাছ থেকে ব্যানার, পেরেক অপসারণ করে যাচ্ছেন তিনি।
এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শ' কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন রাস্তার গাছ থেকে ১২৭ কেজি পেরেক তুলেছেন ওয়াহিদ সরদার।
কেন তিনি এই কাজ করছেন?
বিবিসিকে তিনি বলেন, "গাছকে আমি অনেক ভালোবাসি, গাছ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, গাছ মারা যাচ্ছে তার কাঁটার আঘাতে। বিজ্ঞান বলছে গাছের জীবন আছে, যেহেতু জীবন আছে তার মানে তার যন্ত্রণা, ব্যাথা আছে। এ কারণে আমি এ কাজটি করছি।"
২০০৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত নিজ খরচে এবং বিভিন্ন সংস্থার সহায়তায় প্রায় ৩০ হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি।
পেশায় রাজমিস্ত্রি, আর্থিক অনটনের কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরোতে পারেননি ওয়াহিদ সরদার।
অথচ গাছের জীবন, তাদের বেড়ে ওঠা ও জীবন বৈচিত্র্য নিয়ে তার রয়েছে স্পষ্ট ধারণা।
গাছের গায়ে পেরেক মারা এবং পোষ্টার বিলবোর্ড লাগানোর কারণে তার ক্ষুব্ধ সমাজের শিক্ষিত এবং উচ্চ শ্রেণীর উপর।
ওয়াহিদ সরদারের মতে, "যারা এসব করছে তারা সব শিক্ষিত, পয়সাওয়ালা, যার জন্য পেরেক তুলতে গিয়ে নিরাপত্তার একটা হুমকি ছিলো কারণ তাদের বিভিন্ন প্রচার প্রচারণা আমি সরিয়ে ফেলছি । ভেতরে ভয় কিন্তু মুখে সাহস ছিলো, এটা নিয়ে ওদেরকে বুঝাতে বুঝাতে আমি পেরক তুলে যাচ্ছি।''
পেরেক তুলতে গিয়ে মানুষের তিরস্কার আর কটু কথার মুখোমুখি হতে হয় ওয়াহিদ সরকারকে।
অনেকে জিজ্ঞেস করে কে অর্ডার করেছে পেরেক তুলতে, বেতন কতো পায়।
যখন শুনে তিনি স্বেচ্ছাসেবক তখন কেউ বিশ্বাস করে না। বলে এটা অসম্ভব নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো।
ওয়াহিদ সরদার জানান, " অনেকে প্রশ্ন করে পেরেকগুলো কী করি? যদি বলি সংরক্ষণ করি, বলে না বিক্রি করেন এখানে তো অনেক পয়সা আছে। অর্থাৎ তারা আমাকে বিশ্বাস করে না। একটা মানুষ এমন কাজ করতে পারে তা বিশ্বাস করে না। এটা হচ্ছে আপনি ভালো কাজ করলে এমন সমালোচনার ভেতর দিয়ে যেতে হবে। তাই এটার দিকে আমি দৃষ্টি দিই না।"
আর্থিক অনটনের কারণে তার এই স্বেচ্ছাসেবী কাজে সম্মতি ছিলো পরিবারের। ওয়াহিদ সরদারের প্রতি পরিবারের সদস্যদের একটা ক্ষোভ ছিলো যে আমাদের ভবিষ্যতটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
যখন দেখলো যে এটা তার নেশা, তখন তারা এ সংকটের ভেতর দিয়ে স্বসম্মানে গড়ে উঠেছে।
বর্তমানে ওয়াহিদের মালয়েশিয়া প্রবাসী ছেলে সংসারের হাল ধরেছে আর তিনি গাছ বাঁচানোর লড়াই করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, এটা আমি যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার একটি সু-পরিকল্পনার মাধ্যমে ব্যানারকে জাদুঘরে না নিবে ততক্ষণ আমি এটা চালু রাখবো ততদিন আমি এটা চালিয়ে যাবো।
সবাইকে গাছ বন্ধুর পাশে এসে দাড়াতে আহব্বান করেছেন।
ধন্যবাদান্তে: বিবিসি
Saturday, March 3, 2018
বাংলাদেশের বাজারে নতুন স্মার্টফোন গ্যালাক্সি এস ৯ উন্মুক্ত করবে স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ
মার্চ মাসেই বাংলাদেশের বাজারে নতুন স্মার্টফোন গ্যালাক্সি এস ৯ উন্মুক্ত করবে স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ। ৬ মার্চ এটি ভারতের বাজারে উন্মুক্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের বাজারে ২৬ মার্চ নাগাদ ফোনটি উন্মুক্ত করা হতে পারে বলে জানিয়েছে স্যামসাংয়ের একটি সূত্র। গ্যালাক্সি সিরিজের নতুন স্মার্টফোন হিসেবে এস ৯ স্মার্টফোনটির ক্যামেরায় বিশেষ ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।স্যামসাংয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৩ মা
র্চ গ্যালাক্সি এস ৯ সম্পর্কে জানাতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে স্যামসাং। ২৬ মার্চ ফোনটি বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হতে পারে। এটি এপ্রিল মাসের দিকে হাতে পাবেন গ্রাহকেরা।
স্যামসাংয়ের দাবি, গ্যালাক্সি এস ৯ স্মার্টফোনটিতে বিশ্বের সেরা ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে শুধু ছবি তোলা নায় আরও বিশেষ ফিচার রয়েছে। এর আগেও বাঁকানো ডিসপ্লের স্মার্টফোনের মতো নানা উদ্ভাবনী প্রযুক্তি স্যামসাংয়ের কাছ থেকে পেয়েছে বিশ্ব। এবারে গ্যালাক্সি এস ৯ এর ক্ষেত্রেও ক্যামেরায় নতুনত্ব আনল স্যামসাং।
স্পেনের বার্সেলোনায় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস শুরুর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্যালাক্সি এস সিরিজে নতুন স্মার্টফোন এস ৯ ও এস ৯ প্লাসের ঘোষণা দেয় স্যামসাং।
গ্যালাক্সি এস ৯ প্লাস স্মার্টফোনের পেছনে ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে। অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে ফেস রিকগনিশন, এআর ইমোজি, ব্রিক্সবি ভিশন, ডুয়াল স্পিকার। প্রায় বেজেলহীন স্মার্টফোনটি ১৬ মার্চ থেকে নির্দিষ্ট কিছু দেশের বাজারে পাওয়া যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২ মার্চ থেকে আগাম ফরমাশ নিতে শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এস ৯-এর দাম হবে ৭১৯ দশমিক ৯৯ মার্কিন ডলার আর এস ৯ প্লাসের দাম হবে ৮৩৯ দশমিক ৯৯ মার্কিন ডলার। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বাজারে এস ৯ এর দাম হবে ৬২ হাজার ৫০০ রুপি (৬৪ জিবি) ও ৭১ হাজার রুপি (২৫৬ জিবি)। এস ৯ প্লাসের দাম হবে ৭০ হাজার (৬৪ জিবি) ও ৭৯ হাজার রুপি (২৫৬ জিবি)।
বাংলাদেশের বাজারে এখনো স্মার্টফোন দুটির দাম ঠিক করেনি স্যামসাং বাংলাদেশ।
স্যামসাং সূত্র জানা গেছে, ফোন দুটির পেছনে রয়েছে এফ ১ দশমিক ৫ এবং এফ ২ দশমিক ৪ অ্যাপাচার যুক্ত ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও এলইডি ফ্ল্যাশ। অ্যাপাচার থেকে ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনমতো যেকোনো একটি অ্যাপাচার নির্বাচন করে নিতে পারবেন। সেলফি ও ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে এফ ১ দশমিক ৭ যুক্ত ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।
ফোন দুটিতে যথাক্রমে ৪ এবং ৬ গিগাবাইট র্যাম রয়েছে। উভয় ফোনে ৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজের পাশাপাশি থাকবে মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা। ৫ দশমিক ৮ এবং ৬ দশমিক ২ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফোন দুটিতে এসেছে এআর ইমোজি ফিচার; যা ব্যবহারকারীর ছবি দিয়ে একটি অ্যানিমেশন চরিত্র তৈরি করবে। এই অ্যানিমেশনে ভয়েস যুক্ত করে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এতে রয়েছে একেজির স্টোরিও স্পিকার সেটআপ, সঙ্গে আছে ডলবি অ্যাটমস সুবিধা। ফলে গ্যালাক্সি এস ৮ থেকে ৪০ শতাংশ বেশি সাউন্ড পাওয়া যাবে।
Wednesday, December 20, 2017
গেমারদের জন্য স্যামসাং আনছে ভাজ করা স্মার্টফোন
স্মার্টফোনের ভবিষ্যৎ কোন দিকে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী বছর থেকেই স্মার্টফোনে গেমের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাবে। স্মার্টফোন নির্মাতারা এ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছেন। গেম খেলার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোনে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। এর কারণ? অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে নতুন গেমারদের যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগানো। নতুন নকশার ভাঁজ করা স্মার্টফোন ঘিরে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা।সম্প্রতি স্যামসাংয়ের নতুন নকশার স্মার্টফোনের পেটেন্ট প্রকাশিত হয়েছে। ওই পেটেন্টের শিরোনাম হচ্ছে ‘মোবাইল ডিভাইস উইথ টাচস্ক্রিন অ্যান্ড মেথড অব কন্ট্রোলিং দ্য সেম’। ওই পেটেন্টের বর্ণনায় বলা হয়েছে, নতুন ভাঁজ করা স্মার্টফোন বইয়ের মতো খোলা ও বন্ধ করা যাবে। এ ছাড়া স্মার্টফোনের দুটি অংশ ৩৬০ ডিগ্রি বাঁকা করার সুবিধা থাকবে। দুটি পৃথক স্ক্রিনের তৈরি স্মার্টফোনটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এই দুটি স্ক্রিন পৃথকভাবে ব্যবহার করা যাবে, আবার চাইলে ট্যাবলেট বা ডেস্কটপের মতো একটি স্ক্রিন হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।
নতুন এই স্মার্টফোনটিতে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার ও গেম খেলার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে। একটি স্ক্রিনকে ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার ও আরেকটিকে টাচ কন্ট্রোলার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
বর্তমানে স্যামসাংয়ের শুধু গেমের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডিভাইস নেই। মোবাইল গেমিং ডিভাইস হিসেবে গ্যালাক্সি এস সিরিজের স্মার্টফোনের কথা প্রচার করে প্রতিষ্ঠানটি।
অবশ্য পেটেন্ট করলেই যে সে স্মার্টফোন বাস্তবে আলোর মুখ দেখে তা কিন্তু নয়। তবে মোবাইল গেমিংয়ের ওপর জোর দেওয়া শুরু করেছে স্মার্টফোন নির্মাতা। গেমিং যন্ত্রাংশ নির্মাতা রেজার সম্প্রতি গেমের জন্য বিশেষ স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে। স্যামসাংও এ খাতটি পরীক্ষা করে দেখতে চাইছে।
তথ্যসূত্র : ফোর্বস অনলাইন এবং প্রথমআলো অনলাইন।
Wednesday, November 29, 2017
স্যামসাং নিয়ে এলো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য দারুন সুযোগ

স্যামসাং নিয়ে এলো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য দারুন সুযোগ
দেশে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্যামসাং এজ বাংলাদেশ’ নামের একটি কর্মসূচি চালু করেছে স্যামসাং বাংলাদেশ। এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্যামসাংয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়া কর্মসূচির বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে স্যামসাং বাংলাদেশের মোবাইল ও কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস বিভাগে কাজ করার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থী।
স্যামসাং কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এজ কর্মসূচি চার মাস ধরে পরিচালিত হবে। ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার জন্য আবেদন যাবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিস্তারিত স্যামসাং বাংলাদেশের ফেসবুক পাতায় জানা যাবে। উদ্ভাবনী গবেষক, স্যামসাং থিংক-ট্যাংক হিসেবে কাজ করবেন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডররা। স্যামসাংয়ের কারখানা পরিদর্শনের সুযোগ ও সনদ পাবেন তাঁরা।
দেশে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্যামসাং এজ বাংলাদেশ’ নামের একটি কর্মসূচি চালু করেছে স্যামসাং বাংলাদেশ। এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্যামসাংয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়া কর্মসূচির বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে স্যামসাং বাংলাদেশের মোবাইল ও কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস বিভাগে কাজ করার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থী।
স্যামসাং কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এজ কর্মসূচি চার মাস ধরে পরিচালিত হবে। ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার জন্য আবেদন যাবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিস্তারিত স্যামসাং বাংলাদেশের ফেসবুক পাতায় জানা যাবে। উদ্ভাবনী গবেষক, স্যামসাং থিংক-ট্যাংক হিসেবে কাজ করবেন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডররা। স্যামসাংয়ের কারখানা পরিদর্শনের সুযোগ ও সনদ পাবেন তাঁরা।
Monday, November 20, 2017
বাংলাদেশ পুলিশ এ বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ পুলিশ জব সার্কুলার ২০১৭ অনলাইন জব পোর্টাল এবং জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত
হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালিত বাংলাদেশ সরকারি পুলিশ কর্পোরেশন এর অধীনে একটি সরকারি বিভাগ।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত কিছু তথ্য নিম্নে তুলে ধরা হল:
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ।
পোস্টের অবস্থান: কাজের সার্কুলার চিত্র দেখুন।
কাজের পোস্টিং তারিখ: ১৯ নভেম্বর ২০১৭
আবেদনপত্রের শেষ তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০১৭
বেতন: সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী ২০১৫
চাকরির সংখ্যা: ৫০টি
শিক্ষামূলক প্রয়োজনীয়তা: নীচে বিজ্ঞপ্তি চিত্র দেখুন
চাকুরীর বয়সসীমা: বিজ্ঞপ্তি আকার নীচে দেখুন
অভিজ্ঞতা আবশ্যকতা: নীচে বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন
কাজের ধরন: সরকারি চাকরি (বাংলাদেশ পুলিশ)
চাকরির স্থানঃ বাংলাদেশে যেকোনো জায়গা।
চাকরির সূত্র: অনলাইন চাকরি পোর্টাল
প্রক্রিয়াটি প্রয়োগ করা হচ্ছে: নীচে বিজ্ঞপ্তি চিত্র দেখুন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত কিছু তথ্য নিম্নে তুলে ধরা হল:
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ।
পোস্টের অবস্থান: কাজের সার্কুলার চিত্র দেখুন।
কাজের পোস্টিং তারিখ: ১৯ নভেম্বর ২০১৭
আবেদনপত্রের শেষ তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০১৭
বেতন: সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী ২০১৫
চাকরির সংখ্যা: ৫০টি
শিক্ষামূলক প্রয়োজনীয়তা: নীচে বিজ্ঞপ্তি চিত্র দেখুন
চাকুরীর বয়সসীমা: বিজ্ঞপ্তি আকার নীচে দেখুন
অভিজ্ঞতা আবশ্যকতা: নীচে বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন
কাজের ধরন: সরকারি চাকরি (বাংলাদেশ পুলিশ)
চাকরির স্থানঃ বাংলাদেশে যেকোনো জায়গা।
চাকরির সূত্র: অনলাইন চাকরি পোর্টাল
প্রক্রিয়াটি প্রয়োগ করা হচ্ছে: নীচে বিজ্ঞপ্তি চিত্র দেখুন।
Wednesday, November 15, 2017
বেসামরিক পদে এক বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল বাংলাদেশ নৌবাহিনী
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চাকরি বিজ্ঞপ্তি ২০১৭ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী আমাদের দেশে সবচেয়ে শক্তিশালী ও মূল্যবান প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চাকুরির বিজ্ঞপ্তি ২০১৭ সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য ইমেজ ফাইল দ্বারা নিচে দেওয়া হয়েছে এবং আপনি মূল বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই ইমেজ ফাইলটি ডাউনলোড করতে পারেন। অন্যথায়, আপনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ওয়েবসাইট থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চাকুরির বিজ্ঞপ্তি ২০১৭ পেতে পারেন।
মোট পদের সংখ্যা: ১৪৯টি।
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭।
চাকরীর ধরণ: সরকারি।
Monday, November 13, 2017
আসছে নতুন তিনটি আইফোন সবাইকে টেক্কা দিতে
আইফোনের দশকপূর্তিতে আইফোন টেন বাজারে ছেড়ে চমক দিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। অনেকেই হয়তো নতুন আইফোন কেনার কথা ভাবছেন। কিন্তু বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, আইফোন টেন না কিনে আরও কিছুদিন অপেক্ষায় থাকতে পারেন। কারণ, আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে নতুন তিনটি আইফোন আনবে অ্যাপল। এ তিনটি স্মার্টফোনই হবে আইফোন টেনের মতো।
তাইওয়ানভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেজিআই সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক মিং-সি কুয়ো এ তথ্য জানিয়েছেন। অ্যাপল পণ্য সম্পর্কে বিশ্লেষণের জন্য তিনি ইতিমধ্যে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। অ্যাপলের নতুন পণ্য সম্পর্কে তাঁর পূর্বাভাস সত্য হয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট নাইন টু ফাইভ ম্যাক ও ম্যাকরিউমারসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইফোন টেনের মতো এজ-টু-এজ ডিসপ্লে নিয়ে আসবে ২০১৮ সালের মডেলগুলো।
কুয়ো বলেছেন, ২০১৮ সালের দুটি আইফোন মডেলে ওএলইডি ডিসপ্লে থাকবে। একটিতে ৫ দশমিক ৮ ইঞ্চি মাপের আইফোন টেনের ওএলইডি ডিসপ্লের দ্বিতীয় সংস্করণ ব্যবহৃত হবে। একটিতে থাকবে সাড়ে ছয় ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লে। তবে ৬ দশমিক ১ ইঞ্চি মাপের মাঝারি আকারের আইফোনটিতে থাকবে এলসিডি ডিসপ্লে। এ মডেলের দাম তুলনামূলকভাবে কম হবে।
অ্যাপলের নতুন তিনটি আইফোনে ট্রুডেপথ ক্যামেরা, ফেসআইডির মতো ফিচার থাকবে।
অ্যাপলের সাপ্লাই চেইনের সূত্রের বরাতে কুয়ো বলেছেন, আগামী বছরের আইফোনের জন্য ওএলইডি ডিসপ্লে তৈরির কাজ আগেই শুরু হবে। ফলে নতুন আইফোন হাতে পেতে ক্রেতাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে না।
আইফোন টেনের চাহিদা বাড়ছে
অ্যাপল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, চলতি বছরে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ফোন ছিল অ্যাপলের আইফোন টেন। ৩ নভেম্বর থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে এ মডেল। এর আগেই বিক্রি শুরু হয়েছে আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস। অ্যাপলের পক্ষ থেকে নতুন আইফোনের বিক্রিসংক্রান্ত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
অ্যাপল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, চলতি বছরে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ফোন ছিল অ্যাপলের আইফোন টেন। ৩ নভেম্বর থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে এ মডেল। এর আগেই বিক্রি শুরু হয়েছে আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস। অ্যাপলের পক্ষ থেকে নতুন আইফোনের বিক্রিসংক্রান্ত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
তবে কেজিআই সিকিউরিটিজের মিং-সি কুয়ো বলছেন, এ বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে আড়াই কোটি থেকে ২ কোটি ৭০ লাখ আইফোন টেন উৎপাদন করবে অ্যাপল। তবে এ সময় ২ কোটি ২০ লাখ থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ আইফোন টেন বিক্রি হবে। ২০১৮ সালের প্রথম প্রান্তিকে আইফোন টেনের চাহিদা থাকবে বেশি। এ সময় আইফোন টেনের উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ বাড়াবে অ্যাপল। আইফোন টেনের চাহিদা থাকলেও আইফোন ৮-এর চাহিদা কমছে। আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে আইফোন ৮-এর উৎপাদন ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কমিয়ে দেবে অ্যাপল।
তথ্যসূত্র: দ্য ভার্জ।










